ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ধনবাড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৪ নং পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস এম সাইফুজ্জামান টিটু ঐতিহ্যবাহী পাইস্কা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে চায়নাজাল ধ্বংস মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব পাইস্কা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুন:নির্মিত বিজ্ঞানাগার, ছাদ বাগান ও সাইকেল শেড উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক ধনবাড়ীতে জেলা প্রশাসক শরিফা হকের আগমন পাইস্কা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০ জন শিক্ষার্থীর কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্রিকেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন। ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নে মাদক সেবনকারী গ্রেফতার ধনবাড়ি মুশুদ্দি ইউনিয়নে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক সেবনকারী গ্রেফতার
নোটিশ :
সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে আগ্রহীরা আজই যোগাযোগ করুন ০১৫৫২৬৬৪১৪৫

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ক্ষুব্ধ

এস এম সাইমুজ্জামান তুহিন, (ধনবাড়ি), টাঙ্গাইল। 

টাঙ্গাইল মেডিকেল  কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী টুকু।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ঢাকা থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং শৌচাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সেবা, পরিচ্ছন্নতা, ওষুধ সরবরাহ এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের ৩৩৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীর মধ্যে অর্ধশতাধিককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. কামরুল কিবরিয়াকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দেন তিনি।

একই সঙ্গে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য হাসপাতালের সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারও যদি এখানে চাকরি করতে ইচ্ছে না হয়, তাহলে অন্য জায়গায় চলে যাবে।

হাসপাতালের শৌচাগারের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চান এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার নির্দেশ দেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, হঠাৎ করে পরিদর্শনে আসার উদ্দেশ্যই ছিল প্রকৃত অবস্থা দেখা। আমরা এটাকে উন্নত করব, জায়গা আছে। কিন্তু ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে। হাসপাতালে যদি নেশা বা মাদক গ্রহণের পরিবেশ থাকে, তাহলে সেটা আর হাসপাতাল থাকে না। এতে কেউ নিরাপদ নয়, রোগীরাও অনিরাপদ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল এবং টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
ট্যাগস
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধনবাড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ক্ষুব্ধ

আপডেট সময় ১২:০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

এস এম সাইমুজ্জামান তুহিন, (ধনবাড়ি), টাঙ্গাইল। 

টাঙ্গাইল মেডিকেল  কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী টুকু।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ঢাকা থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং শৌচাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সেবা, পরিচ্ছন্নতা, ওষুধ সরবরাহ এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের ৩৩৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীর মধ্যে অর্ধশতাধিককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. কামরুল কিবরিয়াকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নির্দেশ দেন তিনি।

একই সঙ্গে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য হাসপাতালের সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারও যদি এখানে চাকরি করতে ইচ্ছে না হয়, তাহলে অন্য জায়গায় চলে যাবে।

হাসপাতালের শৌচাগারের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চান এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার নির্দেশ দেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, হঠাৎ করে পরিদর্শনে আসার উদ্দেশ্যই ছিল প্রকৃত অবস্থা দেখা। আমরা এটাকে উন্নত করব, জায়গা আছে। কিন্তু ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে। হাসপাতালে যদি নেশা বা মাদক গ্রহণের পরিবেশ থাকে, তাহলে সেটা আর হাসপাতাল থাকে না। এতে কেউ নিরাপদ নয়, রোগীরাও অনিরাপদ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল এবং টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box